মেনু নির্বাচন করুন
1.       সংক্ষিপ্ত ইতিহাস :অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে সুন্দরবনের আয়তন বর্তমানের প্রায় দ্বিগুণ ছিল। বনের উপর মানুষের অধিক চাপ ক্রমান্বয়ে এর আয়তন সংকুচিত করেছে। ১৮২৮ সালে বৃটিশ সরকার সুন্দরবনের স্বত্ত্বাধীকার অর্জন করে। এল. টি হজেয ১৮২৯ সালে সুন্দরবনের প্রথম জরীপ কার্য পরিচালনা করেন। ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয় এবং ১৮৭৯ সালে সমগ্র সুন্দরবনের দায় দায়িত্ব বন বিভাগের উপর ন্যস্ত করা হয়। সুন্দরবনের প্রথম বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নাম M. U. Green। তিনি ১৮৮৪ সালে সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে পড়ে। যা বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় ৪.২% এবং সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪%। এর মধ্যে স্থলভাগের পরিমাণ ৪,১৪৩ বর্গ কি. মি. (সমগ্র সুন্দরবনের ৬৮.৮৫%)। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বিশাল প্রাকৃতিক বন। এ বনের প্রধান উদ্ভিদ প্রজাতি ‘‘সুন্দরী’’। সুন্দরী গাছের নাম অনুসারে সম্ভবতঃ বনের নাম হয়েছে ‘‘সুন্দরবন’’। আবার সমুদ্রের নিকটে অবস্থিত বিধায় ‘‘সমুন্দর’’ শব্দ হতে প্রথমে ‘‘সমুন্দবন’’ ও পরে ‘‘সুন্দরবন’’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। সুন্দরবনে সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, বাইন, পশুর, কাঁকড়া, গরাণ, গোলপাতা, হেতাল, ঝানা, আমুর, সিংড়া, খলসী ইত্যাদি প্রজাতির গাছ এবং বিভিন্ন জাতের ঘাস জন্মায়। তাছাড়া সুন্দরবনে রয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, অসংখ্য চিত্রল হরিণ, বানর, শুকর, গুঁইসাপ, অজগর ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ; আরো আছে নানা জাতের পাখি। এখানকার ছোট বড় নদ-নদীতে আছে কুমির, হাঙ্গর ও প্রায় ২১০ প্রজাতির মাছ। সুন্দরবন বৃহত্তম খুলনা জেলাকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ যেমন-ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস হতে নিরাপদ রেখে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে আসছে এবং এ জনপদের লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন হিসাবে কাজ করছে। সুন্দরবন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীরে ২১°৩৯¢হতে ২২°৩০¢উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০১¢হতে ৮৯°৫২¢পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। এর পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা, রায়মঙ্গল ও কালিন্দি নদী। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও উত্তরে ছোট নদী, খাল এবং জনপদ এবং পূর্বে বলেশ্বর নদী। সুন্দরবন সংরক্ষিত বনাঞ্চল বাংলাদেশ বন বিভাগের খুলনা সার্কেলের নিয়ন্ত্রণাধীন। এ সার্কেলের আওতাধীন দু’টি বিভাগ রয়েছে। যা সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ নামে পরিচিত। উক্ত বন বিভাগ দু’টির সদর দপ্তর যথাক্রমে খুলনা ও বাগেরহাটে অবস্থিত। সুন্দরবন সংরক্ষিত বনাঞ্চল সংরক্ষণে ৯৪৩ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। সমগ্র সুন্দরবন ৪ টি রেঞ্জের অধীনে ৫৫ টি কম্পার্টমেন্টে বিভক্ত করা হয়েছে; যা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং উহার অধীন দাকোপ, পাইকগাছা, কয়রা, শ্যামনগর, মংলা, মোড়লগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় পরিব্যাপ্ত। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কমিশন সুন্দরবনের ৩ টি অভয়ারণ্যকে ১৯৯৭ সনের ৬ ই ডিসেম্বর ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের ফলম উন্মোচন করেন। ৩ টি অভয়ারণ্য অঞ্চল নিয়ে গঠিত বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকার মোট আয়তন ১,৩৯,৭০০ হেক্টর। সুন্দরবন পূর্ব ও বন বিভাগ, বাগেরহাটের নিয়ন্ত্রণাধীন কম্পার্টমেন্ট নং-৪, ৫, ৬ ও ৭ এর (অংশ) = ৩১,২২৭ হেক্টর সুন্দরবন পূর্ব অভয়ারণ্য এলাকা নামে পরিচিত, কটকা, কচিখালী ও সুপতি কেন্দ্র নিয়ে গঠিত; যার সদর দপ্তর কটকা। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, খুলনার নিয়ন্ত্রণাধীন কম্পার্টমেন্ট নং-৪৩ ও ৪৪ = ৩৬,৯৭১ হেক্টর সুন্দরবন দক্ষিণ অভয়ারণ্য এলাকা নামে পরিচিত, নীলকমল ও দোবেকী কেন্দ্র নিয়ে গঠিত যার সদর দপ্তর নীলকমল। অনুরূপভাবে কম্পার্টমেন্ট নং-৫৩, ৫৪, ৫৫ ও ৪৯ এর (অংশ) = ৭১,৫০২ হেক্টর সুন্দরবন পশ্চিম অভয়ারণ্য এলাকা নামে পরিচিত, নোটাবেকী, মান্দারবাড়িয়া ও পুষ্পকাঠী কেন্দ্র নিয়ে গঠিত। উলেস্নখ্য অত্র সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল মোট ৩৫৭৩৪১.০ হেক্টর। উক্ত বনাঞ্চল সংরক্ষণে বর্তমানে সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী ৬৩৫ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীর মধ্যে ৪৯৭ জন নিয়োজিত আছেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। 

সাধারণ তথ্য

(ক) বন সংরক্ষণ ও বন অপরাধ প্রতিরোধ : বন সংরক্ষণ ও বন অপরাধ প্রতিরোধে অত্র বিভাগের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ নিরলসভাবে দিবারাত্রি বনাঞ্চলে টহল প্রদান করে থাকে। এছাড়া অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বন অপরাধ উদঘাটনে বন বিভাগকে সাহায্য করে থাকে। (খ) বনজ সম্পদ আহরণ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা : সরকার নির্ধারিত ম্যানেজমেন্ট পস্ন্যান অনুযায়ী সুন্দরবনের অপ্রধান বনজদ্রব্য গোলপাতা আহরণ করা হয়ে থাকে। সে কারণে বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি বছর জুলাই মাসে গোলপাতা আহরণকারী নৌকার মালিকগণ সংশিস্নষ্ট স্টেশনে নৌকা উপস্থিত করে বিএলসি গ্রহণ করে। উক্ত বিএলসিধারী নৌকার মালিকগণ গোলপাতা আহরণ মৌসুমে সংশিস্নষ্ট স্টেশনে নৌকা হাজির করে। তদানুযায়ী সংশিস্নষ্ট স্টেশন কর্মকর্তা, আগে আসিলে আগে পাইবেন ভিত্তিতে বিধি মোতাবেক রাজস্ব আদায় সাপেক্ষে বাওয়ালীদেরকে গোলপাতা ও গরাণ আহরণের পাশ প্রদান করেন। অনুরূপভাবে অন্যান্য অপ্রধান বনজদ্রব্য আহরণের নিমিত্ত বিধি মোতাবেক পাশ প্রদান করা হয়ে থাকে। উক্ত বাওয়ালী, মৌয়ালী সুন্দরবনে বনজ সম্পদ আহরণকালে তাদেরকে অত্র বিভাগের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ নিয়মিতবাবে তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। (গ) মৎস্য সম্পদ আহরণ ও পরিবহণ সংক্রান্ত কার্যক্রম : জেলেগণ সুন্দরবন হতে মৎস্য ধরার নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট স্টেশন হতে কর পরিশোধ সাপেক্ষে এক সপ্তাহের পাশ সংগ্রহ করে সুন্দরবনে মাছ ধরে থাকে। মাছ ধরার পর সংশ্লিষ্ট স্টেশনে পাশ সমর্পণের সময় স্টেশন কর্মকর্তা স্টেশন ঘাটে নৌকা চেক করে বিধি মোতাবেক মাছের পরিমাণ নির্ণয় করে রাজস্ব আদায় করেন। এছাড়াও ট্রলারযোগে মৎস্য ধরা ও পরিবহণের জন্য বিভাগীয় কার্যালয় হতে প্রচলিত বিধি মোতাবেক এক মাস মেয়াদী পাশ প্রদান করা হয়ে থাকে। ঐ সমস্ত ট্রলার সংশ্লিষ্ট স্টেশন হতে পাশ গ্রহণ পূর্বক মাছ ধরা/পরিবহণ শেষে সংশ্লিষ্ট স্টেশন ঘাটে পাশ সমর্পণের জন্য উপস্থিত হয়। স্টেশন কর্মকর্তা স্টেশন ঘাটে বিধি মোতাবেক মাছের পরিমাণ নির্ণয় করে রাজস্ব আদায় করেন। (ঘ) বনজ দ্রব্য পরিবহণ ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ : সুন্দরবনে বনজ দ্রব্য আন্তঃজেলা পরিবহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্টেশন ও রেঞ্জ কর্মকর্তার ছাড়পত্র প্রাপ্তির পর বিভাগীয় কার্যালয় হতে বিধি মোতাবেক চলাচল পাশ ইস্যু করা হয়ে থাকে। (ঙ) সরকারের বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত এ সংক্রান্ত আদেশসমূহ বাস্তবায়ন : সুন্দরবনের বনজ সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক সময় সময় যে সমস্ত আদেশ ও নির্দেশ জারী করা হয়ে থাকে তা যথারীতি বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। (চ) বন সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা পালন : সুন্দরবনের বনজ সম্পদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি, বে-সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ পূর্বক বন সংরক্ষণের কার্যকর ভূমিকা পালন করা হয়ে থাকে। (ছ) উন্নয়ন : প্রতি বছর বাজেট প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে সুন্দরবনে কিছু কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়ে থাকে। যা বন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
জনাব জহির উদ্দিন আহমেদউপ-বন সংরক্ষক ০১৭১১৫৮১৪২৯zahirfd84@yahoo.com
জনাব মোঃ তৌফিকুল ইসলামসহকারী বন সংরÿক01712550815islamtowfiq_acf@yahoo.com

কর্মচারীবৃন্দ

প্রকল্পসমূহ

চলতি ২০১২-১৩ আর্থিক সনে সীলস প্রকল্পের আওতায় পুকুর খনন, অফিস ভবন, আবাসিক ভবন নির্মাণ ও মেরামত, বিভিন্ন স্টেশনের গ্যাংওয়েসহ পন্টুন নির্মাণ এবং জলযান নির্মাণ ও মেরামত করা হয়। এছাড়া বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য প্রায় টহল ফাঁড়ি ও স্টেশনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টর পানির ট্যাঙ্ক সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া সীলস প্রকল্পের আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে Mist Patroling (Disital Patrol in Sundarban Reserve Forest) এর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

যোগাযোগ

 বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, কে. ডি. ঘোষ রোড, খুলনা-৯১০০। টেলিফোন নং-০৪১-৭২০৬৬৫ (অফিস); ০৪১-৮১৩৯৫০ (বাসা); ফ্যাক্স নং-০৪১-৭২১২৭৫।

কী সেবা কীভাবে পাবেন

 সেব সমূহ এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:
(ক) সুন্দরবন তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্র: সুন্দরবন তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে সুন্দরবন সংক্রান্ত্ম বিভিন্ন তথ্যাদি অনুসন্ধিৎসু দর্শনার্থী ছাত্র/ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষকে অবহিতকরণ।

(খ) পর্যটক: সুন্দরবনে দেশী-বিদেশী পর্যটকদেরকে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তাসহ সহযোগিতা প্রদান করা হয়ে থাকে।

(গ) রাস মেলা: প্রতি বছর দুবলার চরে অনুষ্ঠিত রাস মেলায় পূণ্যার্থীদেরকে বন বিভাগ ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

(ঘ) গবেষণা: পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমতি প্রাপ্ত দেশী-বিদেশী গবেষকদেরকে সুন্দরবনে গবেষণা কাজে বিধি মোতাবেক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

(ঙ) ডকুমেন্টারী ফিল্ম: পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমতি প্রাপ্ত দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে সুন্দরবনে ডকুমেন্টারী ফিল্ম তৈরীর কাজে বিধি মোতাবেক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

১৩.    অন্যান্য: প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে জনসাধারণকে গাছ লাগানো ও পরিচর্যার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার নিমিত্ত বন অধিদপ্তর কর্তৃক গাইড লাইন অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, খুলনা ও অত্র বিভাগের যৌথ উদ্যোগে বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ আন্দোলন ও বৃক্ষমেলা পালন করা হয়ে থাকে।

১৪.    উন্নয়নমূলক কার্যক্রম: চলতি ২০১৩-১৪ আর্থিক সনে সীলস প্রকল্পের আওতায় অফিস ভবন মেরামত, আবাসিক ভবন (দ্বিতল অফিস কাম স্টাফ ব্যারাক) নির্মাণ, বিভিন্ন স্টেশনের গ্যাংওয়েসহ পন্টুন নির্মাণ, বিভিন্ন স্টেশন ও ক্যাম্পে উন্নত চুলস্নী সরবরাহ, বিভিন্ন স্টেশন ও ক্যাম্পের সাইট ডেভেলপমেন্ট এবং ফাইবার বডি ট্রলার নির্মাণ ও জলযান মেরামত করার কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য প্রায় টহল ফাঁড়ি ও স্টেশনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টর পানির ট্যাঙ্ক সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া সীলস প্রকল্পের আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লÿ্যে গরংঃ চধঃৎড়ষরহম (উরংরঃধষ চধঃৎড়ষ রহ ঝঁহফধৎনধহ জবংবৎাব ঋড়ৎবংঃ) এর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য সংরÿণ ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১টি হরিণ প্রজনন কেন্দ্র, ২টি পর্যবেÿণ টাওয়ার ও ৩০০.০ রানিং মিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে।

১৫.    রাজস্ব আদায়: অত্র বিভাগে ২০১৩-১৪ আর্থিক সনের ডিসেম্বর/২০১৩ পর্যন্ত্ম রাজস্ব আয় ৮৭২৭৩১৭/৯৯ টাকা।

১৬.    যোগাযোগের ঠিকানা: বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, কে. ডি. ঘোষ রোড, খুলনা-৯১০০। টেলিফোন নং-০৪১-৭২০৬৬৫ (অফিস); ০৪১-৮১৩৯৫০ (বাসা); ফ্যাঙ্ নং-০৪১-৭২১২৭৫।

১৭.    ই-মেইল :zahirfd84@yahoo.com

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সিটিজেন চার্টার

ক্রঃ নং

সেবা প্রদানের ক্ষেত্রসমূহ

করণীয়

সেবা প্রদানের প্রাথমিক কার্যক্রমে (প্রয়োজনীয় ও স্বয়ংসম্পূর্ণ তথ্যাদি সাপেক্ষে)

গ্রাহক বা ভোক্তার বিবরণ

প্রার্থিত সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ সময়

বিক্রিত বনজ দ্রব্যের চলাচল পাশ প্রদান করা।

প্রাপ্ত ডকুমেন্টস সমূহ যাচাই করা ও অনুমোদন গ্রহণ।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কর্তৃক চলাচল পাশ ইস্যু করা হয়

জনগণ

২ কার্য দিবস

মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা, মধু ও অন্যান্য পারমিট প্রদান করা।

প্রাপ্ত ডকুমেন্ট সমূহ সঠিকতা যাচাই, নথি উপস্থাপন।

স্টেশন কর্তৃক পারমিট প্রদান করা হয়

জনগণ

১ কার্য দিবস আহরণের পরিমাণের ভিত্তিতে নীতিমালা অনুযায়ী।

বনজ দ্রব্য বিক্রয়

দরপত্র আহবান, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ গ্রহণ।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা/ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন

জনগণ

৩০ কার্য দিবস

সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গবেষণার জন্য অনুমতি প্রদান করা।

আবেদন পত্র যাচাই, নথি উপস্থাপন।

প্রধান বন সংরক্ষক, বাংলাদেশ, ঢাকা কর্তৃক অনুমোদন

গবেষক/ ছাত্র

৭ কার্য দিবস

সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ডকুমেন্টারী ফিল্ম তৈরীর অনুমতি প্রদান।

আবেদন পত্র যাচাই, নথি উপস্থাপন।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদন

জনগণ

৩০ কার্য দিবস

সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ইকোট্যুরিজম এর জন্য পর্যটকদের অনুমতি প্রদান।

নথি উপস্থাপন।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কর্তৃক অনুমোদন

জনগণ

২ কার্য দিবস

তথ্য অধিকার

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার